



"২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির অনলাইন কলেজ ভর্তি আবেদন প্রক্রিয়া গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এবং তা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। পূর্ববর্তী বছরগুলোর তুলনায় আবেদনের ধাপের সংখ্যা হ্রাস, ফি বৃদ্ধি এবং অফিশিয়াল আবেদন পোর্টের লিংকসহ সম্পূর্ণ নির্দেশিকা এই পোস্টে বিস্তারিত জানানো হলো।"
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক বা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ইচ্ছুক উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অনলাইন সেন্ট্রালাইজড আবেদন প্রক্রিয়া গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ থেকে দেশব্যাপী একযোগে শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত নতুন ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী এই প্রথম পর্যায়ের মূল আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত ৮:০০ টা পর্যন্ত একটানা চলমান থাকবে।
দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির এই পুরো প্রক্রিয়াটি কোনো প্রকার পরীক্ষা ছাড়াই সম্পূর্ণ এসএসসি পরীক্ষার মেধার ওপর ভিত্তি করে শিক্ষা বোর্ডের সমন্বিত পোর্টালের (xiclassadmission.gov.bd) মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে।
বিগত বছরগুলোতে একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়াটি সাধারণত দীর্ঘ তিন থেকে চারটি ধাপে বা পর্যায়ে সম্পন্ন করা হতো, যার ফলে ক্লাস শুরু হতে অনেক দেরি হয়ে যেত। কিন্তু সেশনজট কমানোর লক্ষ্যে এবার বড় পরিবর্তন এনে আবেদনের ধাপ সংখ্যা কমিয়ে মাত্র দুটি নির্দিষ্ট ধাপে পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নতুন কঠোর নিয়ম জারি করা হয়েছে। অতীতে আবেদন ফি ১৫০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও বর্তমান ডিজিটাল অবকাঠামো ও বোর্ড ফি সমন্বয়ের কারণে প্রথম ধাপের আবেদন ফি বাড়িয়ে মোট ২২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অনলাইন পোর্টালটি প্রতিদিনের নিয়মিত ডাটা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রাত ১০:০০ টা থেকে ১১:০০ টা পর্যন্ত মোট ১ ঘণ্টা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়, যা শিক্ষার্থীদের আবেদন সাবমিট করার সময় বিশেষভাবে মাথায় রাখতে হবে। আবেদনের মূল ডিজিটাল ফরম সাবমিট করার পূর্বেই শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত আবেদন ফি ২২০ টাকা বিকাশ, রকেট, নগদ বা সোনালী ই-সেবার অ্যাপ ব্যবহার করে সফলভাবে পরিশোধ করতে হবে।
পেমেন্ট করার পর প্রার্থীর নিবন্ধিত সচল মোবাইল নম্বরে একটি অত্যন্ত গোপনীয় সিকিউরিটি কোড বা ৫ ডিজিটের পিন নম্বর পাঠানো হবে, যা পরবর্তীতে কলেজের পছন্দক্রম পরিবর্তন বা মাইগ্রেশনের ফলাফল দেখার জন্য ওটিপি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।
আবেদেন সফল করতে সঠিক কলেজ নির্বাচন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
আবেদেনে অংশ নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের তাদের জিপিএ অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের পছন্দক্রম বা চয়েস লিস্ট ইনপুট দিতে হবে। শেষ দিনগুলোতে দেশজুড়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থী একসাথে চেষ্টা করার ফলে ওয়েবসাইটে সার্ভার ক্র্যাশ বা পেমেন্ট পেন্ডিং হওয়ার মতো জটিলতা তৈরি হতে পারে, তাই ১০ সেপ্টেম্বরের শেষ মুহূর্তের অপেক্ষা না করে এখনই আবেদন শেষ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
কলেজ ভিত্তিক আসন সংখ্যা ও ন্যূনতম জিপিএর তালিকা দেখতে শিক্ষার্থীরা সরাসরি শিক্ষা বোর্ডের সমন্বিত পোর্টাল (xiclassadmission.gov.bd) ভিজিট করতে পারেন।
Author & Contributor
No comments yet. Be the first to comment!